ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এ শিবিরের সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে লতিফ হলের রুমে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করেছে। শিবিরের সন্ত্রাসীরা রুমে ঢুকে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। রুমের ভেতরে ঢুকে ছাত্রদলের একজন কর্মীকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়াও বহু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
আমরা এই ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সহিংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।
দুঃখজনকভাবে, দেশের কয়েকটি গণমাধ্যম এই ঘটনাকে “ছাত্রদল বনাম সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ” হিসেবে উপস্থাপন করার অপচেষ্টা করছে। প্রশ্ন হচ্ছে—যদি এটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়ে থাকে, তাহলে হামলায় শিবিরের সদস্যরা আহত হলো কীভাবে? প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে বিভ্রান্তিকর বর্ণনা দেওয়া গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে যায় না। আমরা সঠিক ও নিরপেক্ষ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানাই।
এদিকে, আজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে মেহেদী সজীবের আত্মপ্রকাশ প্রমাণ করে যে এতদিন অনেকেই আড়ালে থেকে রাজনীতি করেছে। এ ধরনের গোপন তৎপরতা ও সংঘাতমুখী রাজনীতি দেশের শিক্ষা পরিবেশকে অস্থির করে তুলছে।
আমরা আবারও স্পষ্টভাবে বলতে চাই—শিবির সংঘাত, সন্ত্রাস ও গোপন রাজনীতির পথ পরিহার করে প্রকাশ্যে ইতিবাচক, শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চর্চায় ফিরে আসুন।
শিক্ষাঙ্গনকে রক্তাক্ত করার রাজনীতি বন্ধ হোক। ক্যাম্পাস হোক নিরাপদ, সন্ত্রাসমুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব।
—নাছির উদ্দীন নাছির



